লতিফ শিশির আর লেলিনদের স্কুলে চাকরি করে। হঠাৎই তার বাসায় চুরি হয়ে যায়। চোর একটি আংটি এবং তিন হাজার টাকার প্রাইজবন্ড চুরি করে। আর চুরি করে টিয়া। টিয়াটা পালত লতিফের মেয়ে নিতু। টিয়া হারিয়ে নিতু পাগলপ্রায় হয়ে যায়, বন্ধ করে দেয় খাওয়া দাওয়া, ভেঙ্গে পড়তে থাকে মানসিকভাবে। টিয়াটির অন্যতম বৈশিষ্ট ছিল কথা বলতে পারত টিয়াটি। নিতুকে সুস্থ করতে হলে খুঁজে পেতে হবে টিয়াটিকে। এই দায়িত্ব দেয়া হয় শিশিলিনের উপর।
টিয়া উদ্ধার অভিযানে নেমে শিশির লেলিন বুঝতে পারে কত কষ্ট চুরি হওয়া পাখি উদ্ধার করা। চোরাই পাখি বিক্রির আন্ডারওয়ার্ল্ডের ব্যক্তিরা যেমন চালাক তেমনি ভয়ংকর। খুব সতর্কভাবে এগোতে থাকে শিশির লেলিন। কিন্তু পদে পদে হতাশ হতে থাকে তারা। চোর খুব চালাক, ধরা দিতে চায় না।
অবশেষে চোরের সন্ধান পায় শিশির আর লেলিন। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। তারা বন্দি হয়ে পড়েছে গোপন এক অজানা ঘরে। কেউ জানে না তাদের অবস্থান। কালো পোশাক পরা চোরের হাতে একটা হাতুড়ি। এগিয়ে আসছে তাদের দিকে। হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে তাদের মাথা আলুভর্তা বানিয়ে ফেলবে। সেক্ষেত্রে বাঁচার আর কোনো সম্ভাবনা নেই।
শেষ পর্যন্ত কী শিশির আর লেলিন মুক্তি পেয়েছিল গোপন ঘর থেকে? আর উদ্ধার করতে পেরেছিল নিতুর টিয়াকে? আর চোরাই পাখি বিক্রেতাদেরই বা কী পরিণতি হয়েছিল?

Reviews
There are no reviews yet.