লেলিন স্কুল থেকে বাসায় ফিরছিল। থানমন্ডি থানার সামনে আসতে দেখে হারুন নামের এক যুবককে পুলিশ ধরে নিয়ে যাচ্ছে। তার অপরাধ, তার কাছে নকল ডলার পাওয়া গেছে। ঘটনাক্রমে লেলিন জানতে পারে হারুন প্রতারণার শিকার হয়েছে এবং তার ডলার প্রতারকরা নিয়ে তাকে জাল ডলার দিয়ে গেছে। এই প্রতারকরা সকলে ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডের দুর্ধর্ষ ডলার গ্যাং এর সাথে সম্পৃক্ত। শিশির আর লেলিন বাস্তবতা বুঝতে পেরে সিদ্ধান্ত নেয় হারুনকে সহায়তা করবে। একসময় তারা বুঝতে পারে জন, হ্যারি, ওগোলো নামের বিদেশিরাও সম্পৃক্ত ডলার গ্যাং এর সাথে। তারপরও ভীত না হয়ে তারা প্রবেশ করে ডালার গ্যাং এর গোপন আস্তানায়। কিন্তু দুর্ভাগ্য তাদের, আটক হয়ে ডলার গ্যাংদের হাতে। এখন হত্যা করা হবে তাদের। এরকমই চূড়ান্ত পরিকল্পনা করেছে ডলার গ্যাং এর ভয়ংকর সদস্যরা।
শেষ পর্যন্ত কী নিজেদের মুক্ত করতে পেরেছিল শিশির লেলিন? আর হারুনের ভাগ্যে কী ঘটেছিল? ডলার গ্যাংদের পরিনতিইবা কী হয়েছিল?
হঠাৎই সংবাদটা দেখতে পায় লেলিন। স্থানীয় মাস্তান রাজু এবং সাজু, মোহাম্মাদপুর বেড়িবাঁধের পাশের একটি জমি থেকে উচ্ছেদ করার ষড়যন্ত্র করছে অসহায় বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমানকে। খবরটি দেখার সাথে সাথে শিশির আর লেলিন ছুটে যায় বেড়িবাঁধে। পরিচিত হয় মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমানের সাথে। সবাই তাকে ডাকে ’পতাকা দাদা’ বলে, কারণ তিনি পতাকা বিক্রি করেন। কিন্তু ’দেশ, মুক্তি, পতাকা’ এরকম কয়েকটি শব্দ ছাড়া কিছুই বলতে পারেন না। পাকিস্তানী মিলিটারিদের নির্যাতনে স্মৃতি হারিয়ে ফেলেছেন তিনি, কাউকে ঠিকমতো চিনতেও পারেন না। তবে ’স্বর্ণ পতাকা’ বললেই মাটি খুঁড়তে শুরু করেন। স্বর্ণ পতাকার যে বিশেষ কোনো রহস্য আছে বুঝতে পারে শিশির আর লেলিন। তাদের ধারণা স্বর্ণের কোনো পতাকা হয়তো লুকিয়ে রাখা হয়েছে মাটির নিচে, সেই পতাকাই খুঁজেন মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান। বিষয়টা নজর কাড়ে আশেপাশের মানুষেরও। স্বর্ণ পতাকার রহস্য উন্মোচনে উঠে পড়ে লাগে ক্ষুদে দুই গোয়েন্দা। তাদের এই উপস্থিতি ভালোভাবে নেয়নি রাজু আর সাজু। কারণ তাদের পরিকল্পনায় বাঁধা হয়ে দাড়াচ্ছে শিশির আর লেলিন। তাই তারা সিদ্ধান্ত নেয় হত্যা করবে মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমানকে এবং দখল করে নেবে তার সকল সম্পত্তি। পাশাপাশি খুঁজে বের করবে রহস্যময় স্বর্ণ পতাকা, তাহলেই বড় লোক হতে পারবে তারা। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এক রাতে সত্যি তারা অপহরণ করে সবার প্রিয় ’পতাকা দাদা’কে।
শেষ পর্যন্ত কী পতাকা দাদাকে উদ্ধার করতে পেরেছিল শিশির আর লেলিন? আর কী রহস্যই বা লুকিয়ে ছিল স্বর্ণ পতাকায়?
শিশির আর লেলিন বাসায় ফিরছিল। খনিকটা পথ আসার পর তাদের চোখের সামনে একটা সড়ক দুর্ঘটনা ঘটল। একটা রিকশাকে ধাক্কা দিয়েছে প্রাইভেটকার। রিকশার যাত্রী গ্রাম থেকে আসা নয়ন স্যার মারাত্মক আহত হন ঐ দুর্ঘটনায়। সাথে ছোট্ট মেয়ে নিপা আর মাজেদা খালা। কেউ যখন তাদের হাসপাতালে নিচ্ছিল না তখন শিশির আর লেলিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। ডাক্তার জানায়, বিদেশে চিকিৎসা দরকার নয়ন স্যারের, কারণ মাথার আঘাতটা মারাত্মক। পাশাপাশি নিপাও অসুস্থ, ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত। তার চিকিৎসাও করতে হবে বিদেশে। অনেক টাকা দরকার। কিন্তু তাদের তেমন কোনো টাকা পয়সা নেই। এদিকে নয়ন স্যারকে ইনজেকশন দিতে গিয়ে প্রমাণিত হলো অ্যান্টিবায়োটিকস্টা নকল। নকল ওষুধের রহস্য উন্মোচন করতে গিয়ে আন্ডারগ্রাউন্ডের ভয়ংকর চক্রের হাতে বন্দি হয় শিশির। লেলিন মরিয়া হয়ে উঠে তাকে বাঁচানোর জন্য। ততক্ষণে যে অনেক দেরি হয়ে গেছে। কারণ হাই ডোজের মরফিন ইনজেকশন হাতে এক মৃত্যুদূত এগিয়ে আসছে শিশিরের দিকে। হাত পা বাঁধা শিশিরের শরীরে ইনজেকশন পুশ করলেই মৃত্যু হবে তার। সেক্ষেত্র চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে শিশিলিনের কার্যক্রম।
শেষ পর্যন্ত কী ক্ষুদে গোয়েন্দা লেলিন উদ্ধার করতে পেরেছিল শিশিরকে? নাকি করুন মৃত্যুবরণ করতে হয়েছিল তাকে। আর কী ঘটেছিল গ্রাম থেকে আসা শিক্ষক নয়ন স্যার আর ছোট্ট নিপার? তারাও কী বাঁচতে পেরেছিল? নাকি ধুকে ধুকে মৃত্যু হয়েছিল তাদেরও?
মাহিন আর মাইশা প্রেম করে বিয়ে করেছে। কিন্তু বিয়ের পর থেকে মাইশার আচার আচরণে অস্বাভাবিকতা প্রকাশ পেতে থাকে। কারণ জিজ্ঞেস করলে জানায়, তার মধ্যে অশরীরী কোনো আত্মা আছে যে তাকে নিয়ন্ত্রণ করে, প্রভাবিত করে। ব্যাপারটা বিশ্বাস করতে না চাইলেও মাইশার নানা অনাকাঙ্খিত আচরণ তা প্রকাশ পেতে থাকে। মাইশা নিজের চুল নিজেই এলোমেলো করে ফেলে, রাতে বিড় বিড় করে কথা বলে, আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, এটা ওটা ভেঙ্গে ফেলে, এমন কী একে ওকে চড় থাপ্পড়ও মেরে বসে। দেখলে মনে হবে সে বুঝি পাগল! সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হচ্ছে, অশরীরী আত্মাটা গোপনে মাইশার নিকট তার ভালোবাসার অভিপ্রায়ের কথা প্রকাশ করে। মাইশা রাজি না হলে তাকে ভয়ংকর পরিণতি বরণ করতে হবে বলেও শাসায়। মাইশা একসময় উপলব্দি করে সত্যি আত্মাটা তার ক্ষতি করবে, অপূরণীয় ক্ষতি! কারণ সে যে আর পেরে উঠছে না অজানা অচেনা আত্মার সাথে!
মাইশাকে বাঁচাতে উঠে পড়ে লাগে মাহিন। কারণ সে জানে মাইশা খুব সাধারণ এক মেয়ে। ঘটনাক্রমে তার সাথে পরিচয় হয় প্যারাসাইকোলজিক্যাল ইনভেস্টিগেটর ডাক্তার তরফদারের। ডাক্তার তরফদারও বিশ্বাস করেন না অশরীরী আত্মার অস্তিত্ব। তাহলে কী হয়েছে মাইশার! কীভাবে বাঁচাবেন মাইশাকে! নাকি শেষ পর্যন্ত মাইশাকে পরাজিত হতে হবে অশরীরী আত্মার অযৌক্তকি ইচ্ছার কাছে!
লাবনী নামের অপূর্ব সুন্দরী এক মেয়ে নৃশংসভাবে খুন হয়েছে রাহাতদের রান্নাঘরে। চাপাতি দিয়ে কেটে ফেলা হয়েছে লাবনীর বাম পায়ের একাংশ, শরীরে রয়েছে আরাে ছােট বড়...
শান্ত, সুন্দর মেয়ে দিয়া। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। সবকিছুই স্বাভাবিকভাবে চলছিল। হঠাৎই অদ্ভুত সব ঘটনা ঘটতে শুরু করে দিয়ার জীবনে। মাঝে মাঝে কালো...
এক ঝড়ো সন্ধ্যায় হঠাৎ রাশেদ সাহেবের বাড়িতে বশির আলী নামের হাতকাটা অদ্ভুত এক আত্মাসাধক এসে উপস্থিত হয়। সকলের কৌতূহল রক্ষার্থে আত্মাসাধক বশির আলী ডেকে নিয়ে...
‘উলিন গ্রহ’ থেকে পৃথিবীর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে ছোট্ট ছেলে শিশিন। মারাত্মক মহাশূন্য দুর্ঘটনায় সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে সে, সাথে প্রিয় কুকুর টোমা আর তৃতীয়...
লালপুর গ্রামে শিক্ষা সফরে এসেছে শিশির। এসেই জানতে পারল জব্বার মামা নিখোঁজ। তার খোঁজে তার পালিত ভাগ্নে বাবুল পাগলপ্রায়। জব্বার মামাকে খুঁজতে গিয়ে শিশির জানতে পারল খুলি বাবার কথা। খুলি বাবার ঐশ^রিক ক্ষমতা রয়েছে। থাকে টিলার উপর, সারিয়ে ফেলতে পারে যে কোনো অসুখ। খুলি বাবার ঐশ^রিক ক্ষমতার উৎস জানার জন্য মরিয়া হয়ে উঠে শিশির। তার সাথে এসে যোগ দেয় লেলিন। দুজন নামে গোপন অভিযানে। একসময় বুঝতে পারে রহস্যময় কিছু মানুষ আসে খুলি বাবার টিলায়। তার রাতের অন্ধকারে আসে আবার রাতেই চলে যায়। এই মানুষগুলো খুব ভয়ংকর। কারণ তাদের কাছে অস্ত্র থাকে। কারা এরা? রহস্য উন্মোচন করতে গিয়ে শিশির লেলিন আটক হয় রহস্যময় মানুষগুলোর কাছে। তারা সিদ্ধান্ত নেয় হত্যা করবে শিশির আর লেলিনকে। বস্তায় ভরে নিক্ষেপ করে খালের পানিতে। কেউ নেই তাদের বাঁচানোর?
জোছনারাতে মানুষের একটি ছায়া থাকে। কিন্তু ইলার ক্ষেত্রে বিষয়টি ব্যতিক্রম। জোছনারাতে ইলার থাকে দুটি ছায়া। তাও একটি পুরুষের এবং একটি নারীর। ইলার এই দুই ছায়ার...
লিলিপুটের গ্রহে, পৃথিবীতে লিলিপুটেরা এবং লিলিপুটদের ফিরে যাওয়া, এই তিনটি উপন্যাসের ব্যাপক জনপ্রিয়তার কথা ভেবে পাঠকেরা যেন স্বল্পদামে তিনটি উপন্যাস পেতে পারে এজন্যই সংকলন ’লিলিপুটের...
ভয়ানক এক মহাকাশ-দুর্ঘটনায় স্কাউটশিপ ফ্লিটি এসে পড়ে সম্পূর্ণ নতুন এক গ্রহে। দুর্ঘটনার তীব্রতায় ফ্লিটির সবাই মারা গেলেও বেঁচে থাকে শুধু দশমাস বয়সের এক মানবশিশু ’অডিন’।...
এলিয়েন নিনিটি এসেছে গিলিলিন গ্রহ থেকে। রিবিটের সাথে পরিচয় হলে সে জানায় সে এসেছে পৃথিবীকে রক্ষা করতে। কারণ ওটাচুন গ্রহের খিখিট প্রজাতির প্রাণি গিটু পৃথিবীতে...
হাইকোর্টের সামনে থেকে রিবিট ‘জীবন’ নামের পঙ্গু অর্ধমৃত এক ছেলেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে এনে ভর্তি করে। জ্ঞান হারানোর আগে ছেলেটি লোমহর্ষক এক জীবনকাহিনীর কথা বলে...
দীর্ঘ ত্রিশ বছর গবেষণা শেষে বুয়েটের অবসরপ্রাপ্ত একজন প্রফেসর মানুষের কল্যাণের জন্য ঢাকা শহরে একটি অতি উচ্চ বুদ্ধিমাত্রার রোবটকে মুক্ত কর দেয়। অনুভূতি সম্পন্ন এই...
তীব্র গতিতে ছুটে চলছে স্পেসশিপ সাইমিন। সাইমিন মূলত রেসকিউ বা উদ্ধারকারী স্পেসশীপ, যার মূল কাজ হচ্ছে মহাশূন্যে বিপদগ্রস্ত স্পেসশীপ, অভিযাত্রী বা অণ্য কোনো প্রাণীকে সাহায্য...
রোপৃথিবীতে প্রচলিত আইন উপেক্ষা করে প্রফেসর জন হিল্ডন নামের একজন অসাধারণ বিজ্ঞানী হুবহু মানুষের মতো দেখতে এবং মানুষের সমবুদ্ধিমান একটি রোবট তৈরি করে যেটির নাম...
স্পেসশিপ ইউভির অভিযাত্রীরা ভিনগ্রহের প্রাণীর অনুসন্ধান করতে গিয়ে ’কিটো’ নামের নতুন একটি গ্রহে অবতরণ করে। অনুসন্ধান কার্যক্রমের শুরুতে তারা জিটু নামের একটি অতি উন্নত বুদ্ধিমাত্রার...
মানুষটিকে পেয়ে দারুনভাবে উল্লসিত হয়ে উঠল রোবটেরা। কতটা যন্ত্রণা দিয়ে তাকে হত্যা করা যায় সেটা নিয়ে দ্বিমত হওয়ায় নিজেদের মধ্যে মরামারিও করল রোবটগুলো। অবশেষে নৃশংসভাবে...
পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মহাকাশ স্টেশন ’সিসিন’ দখল করে নিয়েছে অতি উন্নত বুদ্ধিসম্পন্ন প্রাণী ঘিঘিট। সিসিনের দখল ফিরে পেতে সব রকমের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে পৃথিবীর বিজ্ঞানীরা। কারণ...
পৃথিবীর প্রেসিডেন্ট জি পেরোর কাছে হঠাৎই একটি সংবাদ পৌঁছায়। পৃথিবীর মহাকাশ সীমানায় অপরিচিত একটা স্পেসশিপ ঘুরে বেড়াচ্ছে যার অভ্যন্তরের প্রাণীরা নিজেদেরকে ক্রিকি বলে পরিচয় দিচ্ছে।...
৭৩০৮ সাল। রোবটদের দখল থেকে পৃথিবীকে মুক্ত করতে গিয়ে ভূ-গর্ভের বারো কিলোমিটার নিচে মারাত্মকভাবে আহত হয় নিরি। যখন বুঝতে পারে বাঁচার আর কোনো সম্ভাবনা নেই...
মানুষের মধ্যেকার দীর্ঘদিনের যুদ্ধ আর দ্ব›েদ্ব পৃৃথিবী আজ বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। যে কোনো সময় ধ্বংস হয়ে যেতে পারে পৃথিবী। তাইতো অভিযাত্রীরা বাসযোগ্য নতুন আর...
লাইটাস সম্পূর্ণ নতুন একটা গ্রহ, এখানে আগে কোনোদিন কোনো নভোচারী অবতরণ করেনি। ইনিই প্রথম অবতরণ করেছে এই গ্রহে। ইনির মূল উদ্দেশ্য লাইটাস গ্রহে একটি আলোর...
২৭১৮ সাল। ভূ-গর্ভের অভ্যন্তরে হিমিস নামের এক রোবট সৃষ্টি করে লাল মানবদের। মানুষের মতো দেখতে লাল মানবদের অল্পদিনে সে পৃথিবীর উপরিপৃষ্ঠে বসবাসরত সত্যিকারের মানুষদের বিরুদ্ধে...
২৮১২ সাল। পৃথিবীর প্রেসিডেন্ট জ্যাক নেলসন সিসিন গ্রহ থেকে পৃথিবীতে ফিরছিলেন। সাথে তার চৌদ্দ বছর বয়সী একমাত্র ছেলে হ্যারি এবং হ্যারির খেলার সাথী রোবট কিকি।...
এক গোপন গবেষণায় নিসিলিন আবিস্কার করেন প্রফেসর কিম। নিসিলিনের মূল কাজ মানুষের বয়স কমিয়ে পঁচিশ-ত্রিশে স্থির করা এবং মানুষকে অমর করা। শিম্পাঞ্জির ওপর নিসিলিন প্রয়োগে...
বরকত সাদা শাড়ি পরা মেয়েটিকে মুহূর্তের জন্য দেখল। তারপর হঠাৎই হারিয়ে গেল মেয়েটি। অপূর্ব সুন্দরী মেয়েটি কীভাবে মুহূর্তের মধ্যে হারিয়ে গেল সে ঠিক বুঝে উঠতে...
মহাকাশযানে এক ভয়ানক বিপর্যয়ের মুখে ছোট্ট স্কাউট শীপ নিয়ে হাইপার জাম্প দিতে বাধ্য হয় তরুণ বিজ্ঞানী নিও। একমাত্র সঙ্গী ছোট্ট রোবট পিপি। দীর্ঘ হাইপার জাম্প...
স্পেসশিপ নিউরিনো থেকে কমান্ডার হাভার্ট, নভোচারী জুনি, কমান্ডো লাইডার এবং জীববিজ্ঞানী লিহাকে বিশেষ এক উদ্ধার অভিযানে লাল গ্রহে প্রেরণ করা হয়েছে। এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য...
2025 সাল। অনিন্দ্য সুন্দর নিকিতাকে কখনোই ভালোলাগা, ভালোবাসা আর স্বপ্নের কথাগুলো বলতে পারবে না বলেই লাল ডায়েরিতে মনের কথাগুলো চিঠিরূপে লিখে রাখে ভার্সিটির ছাত্র নির্ঝর।...
লো, টম আর নিমি টাইম মেশিনের মাধ্যমে নরেন্দ্র জমিদারের যুগে এসে পৌঁছায়। জমিদারের প্রতি গ্রামবাসীদের ভালোবাসা দেখে। মুগ্ধ হয় তারা। কিন্তু জানতে পারে বড় বিপদে...
মোশতাক আহমেদের জনাপ্রিয় সেরা পাঁচটি ভৌতিক উপন্যাস নিয়ে রচিত সংকলন সেরা পাঁচটি ভৌতিক উপন্যাস।মোশতাক আহমেদের জনপ্রিয় পাঁচটি ভৌতিক উপন্যাস নিয়ে রচিত সংকলন সেরা পাঁচ ভৌতিক উপন্যাস। এই সংকলনের পাঁচটি ভৌতিক...
এক ঝড়ো সন্ধ্যায় হঠাৎ রাশদে সাহবেরে বাড়তিে বশরি আলী নামরে হাতকাটা অদ্ভুত এক আত্মাসাধক এসে উপস্থতি হয়। সকলরে কৌতূহল রর্ক্ষাথে আত্মাসাধক বশরি আলী ডকেে নয়িে...
শিশির আর লেলিন দুই ভাই। দুজনেই স্কুলছাত্র এবং দারুণ রহস্যপ্রিয়। তারা দুজনে মিলে ‘শিশিলিন’ নামের বিশেষ এক রহস্য সংস্থা খুলেছে। এই সংস্থার কাজ হলো নানারকম...
২৫ মার্চ ১৯৭১, রাত আনুমানিক দশটা দশ মিনিট। ট্যাংক, কামান, মেশিনগান আর আধুনিক স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রেসজ্জে সজ্জিত পাকিস্তানী আর্মি ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থেকে বের হয়ে আসতে শুরু...
নিরাপদ সমাজ সৃষ্টির অন্যতম সোপান অপরাধ প্রতিরোধে ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্টি। একটি চলমান সমাজব্যবস্থায় অপরাধ সংঘটন হবে এটা যেমন সত্য, তেমনি এটাও সত্য যে নাগরিকদের মধে...
শিক্ষাসফর শেষে ময়মনসিংহ থেকে ফেরার পথে ট্রেনে সামিয়া আর তার দাদু হাবিবুর রহমানের সাথে পরিচয় হয় লেলিনের। কথাপ্রসঙ্গে লেলিন জানতে পারল সামিয়ার দাদুর কাছে ঐতিহাসিক...
মোশতাক আহমেদের জনাপ্রিয় পাঁচটি কিশোর উপন্যাস নিয়ে রচিত সংকলন সেরা পাঁচ কিশোর উপন্যাস। এই সংকলনের পাঁচটি উপন্যাস হলো ববির ভ্রমন,ডায়নোসরের ডিম,লাল শৈবাল,মুক্তিযোদ্ধা রতন,বৃষ্টি ভেজা জোছনা।
রাঙামাটি ভ্রমণে এসে ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয় শিশির আর লেলিন। তাদের পাশের কুটীরে রাতের অন্ধকারে খুন হয়ে যান প্রফেসর হামিদ। তারা বুঝতে পারে হাজার...
মোশতাক আহমেদ অনেক ভৌতিক উপন্যাসের নামকরনের ক্ষেত্রে ‘আত্মা’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন। এরুপ পাঁচটি উপন্যাস-প্রেতাত্মা, অতৃপ্ত আত্মা, অভিশপ্ত আত্মা, প্রতিশোধের আত্মা, উলু পিশাচের আত্মা, সমগ্র ভৌতিক...
নিলা, অপূর্ব সুন্দরী এক তরুণী। বেড়ে উঠেছে নিম্নবিত্ত পরিবারে। দারিদ্রের কারণে পড়াশুনা উচ্চ মাধ্যমিকের পর আর এগোতে পারেনি। এখন পেশায় সে একজন ড্যান্স জকি। কাজ...