
৳ 300.00 ৳ 225.00
হঠাৎই সংবাদটা দেখতে পায় লেলিন। স্থানীয় মাস্তান রাজু এবং সাজু, মোহাম্মাদপুর বেড়িবাঁধের পাশের একটি জমি থেকে উচ্ছেদ করার ষড়যন্ত্র করছে অসহায় বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমানকে। খবরটি দেখার সাথে সাথে শিশির আর লেলিন ছুটে যায় বেড়িবাঁধে। পরিচিত হয় মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমানের সাথে। সবাই তাকে ডাকে ’পতাকা দাদা’ বলে, কারণ তিনি পতাকা বিক্রি করেন। কিন্তু ’দেশ, মুক্তি, পতাকা’ এরকম কয়েকটি শব্দ ছাড়া কিছুই বলতে পারেন না। পাকিস্তানী মিলিটারিদের নির্যাতনে স্মৃতি হারিয়ে ফেলেছেন তিনি, কাউকে ঠিকমতো চিনতেও পারেন না। তবে ’স্বর্ণ পতাকা’ বললেই মাটি খুঁড়তে শুরু করেন। স্বর্ণ পতাকার যে বিশেষ কোনো রহস্য আছে বুঝতে পারে শিশির আর লেলিন। তাদের ধারণা স্বর্ণের কোনো পতাকা হয়তো লুকিয়ে রাখা হয়েছে মাটির নিচে, সেই পতাকাই খুঁজেন মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান। বিষয়টা নজর কাড়ে আশেপাশের মানুষেরও। স্বর্ণ পতাকার রহস্য উন্মোচনে উঠে পড়ে লাগে ক্ষুদে দুই গোয়েন্দা। তাদের এই উপস্থিতি ভালোভাবে নেয়নি রাজু আর সাজু। কারণ তাদের পরিকল্পনায় বাঁধা হয়ে দাড়াচ্ছে শিশির আর লেলিন। তাই তারা সিদ্ধান্ত নেয় হত্যা করবে মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমানকে এবং দখল করে নেবে তার সকল সম্পত্তি। পাশাপাশি খুঁজে বের করবে রহস্যময় স্বর্ণ পতাকা, তাহলেই বড় লোক হতে পারবে তারা। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এক রাতে সত্যি তারা অপহরণ করে সবার প্রিয় ’পতাকা দাদা’কে।
শেষ পর্যন্ত কী পতাকা দাদাকে উদ্ধার করতে পেরেছিল শিশির আর লেলিন? আর কী রহস্যই বা লুকিয়ে ছিল স্বর্ণ পতাকায়?
লেখক মোশতাক আহমেদ এর জন্ম ১৯৭৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, ফরিদপুর জেলায়। পেশায় একজন সহকারী পুলিশ সুপার হওয়া সত্ত্বেও লেখালেখির প্রতি তাঁর আগ্রহ প্রচুর। এ পর্যন্ত সায়েন্স ফিকশন নিয়েই সবচেয়ে বেশি লিখেছেন।
৳ 300.00 ৳ 225.00
৳ 300.00 ৳ 225.00
Reviews
There are no reviews yet.