ঈদের ছুটি কাটাতে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ববি তার বাবা আর মায়ের সাথে বরিশাল থেকে স্টিমারযোগে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়। ঘটনাক্রমে ববি ভিন্ন এক স্টিমারে উঠে...
মাঝরাতে সামিনের হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল। সে বিস্মিত হয়ে দেখল তার পড়ার টেবিলে রাখা বায়োটপটা (অত্যাধুনিক কম্পিউটার) আপনাআপনি চালু হয়ে যাচ্ছে। সেখান থেকে ধীরে বের...
গ্রিলি দ্বীপে গোপন এক সামরিক গবেষণাগারে ভয়ংকর একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মানুষের মস্তিষ্ক রোবটিক শরীরে স্থাপন করে অনুভূতিসম্পন্ন রোবট তৈরি করা হবে। কিন্তু এরকম মানুষ...
নীলপুর গ্রাম। সদ্য মেডিক্যাল কলেজ থেকে পাশ করে লুবনা এখানে একটি ক্লিনিকে ডাক্তার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছে। কয়েকদিনের মধ্যেই বুঝতে পারে ক্লিনিকে এক অশরীরীয় আত্মা...
বনখালি গ্রামে আতঙ্কের নাম কানা দস্যু। এই কানা দস্যু আজ চাঁদা চায় তো কাল কাউকে অপহরণ করে। কানা দস্যু নাম শুনতেই রক্ত ঠান্ডা হয়ে আসে গ্রামবাসীর। ভয়ে কেউ কানা দস্যুর নাম মুখে আনে না। অবাক ব্যাপার হলো কানা দস্যুকে কেউ চিনেও না। অথচ তার দাবি মতো চলতে হচ্ছে গ্রামবাসীকে। কেউ অমান্য করলে তার জীবন অশান্তিময় হয়ে ওঠে। এই কানা দস্যুকে ধরতে বনখালি গ্রামে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় শিশির আর লেলিন। গ্রামে পা রাখতে বুঝতে পারে গ্রামের জীবন স্বাভাবিক নেই। সম্পূর্ণ গ্রাম যেন এক মৃত্যুপুরী। তার উপর নেই ইলেকট্রিসিটি, মোবাইল নেটওয়ার্ক। পৃথিবীর কারো সাথেই যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। এমন কী, থাকার জায়গাও নেই। সবচেয়ে সমস্যা হচ্ছে, কানা দস্যু সম্পর্কে কেউ কোনো তথ্য দিতে চায় না। আর কীভাবে যেন কানা দস্যু সব আগে থেকেই জেনে যায়। যেমন জেনে গেছে তাদের আগমন এবং উদ্দেশ্যের কথা। তাই তো চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেয়, শিশিলিনের সদস্যরা যদি ফিরে না যায় তাহলে করুণ মৃত্যুবরণ করতে হবে তাদের। কিন্তু শিশির আর লেলিন নাছোড়বান্দা। তারা ধরবেই কানা দস্যুকে। কিন্তু বাস্তবতা যে বড় কঠিন! কানা দস্যুর ছায়াও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বরং তাদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তাদের নাকের ডগায় একটার পর একটা অপরাধ করে যাচ্ছে কানা দস্যু। এখন তারাই বিপদগ্রস্ত, যে কোনো সময় খুন হতে পারে তারা। শেষ পর্যন্ত কী শিশিলিনের দুই ক্ষুদে গোয়েন্দা ধরতে পেরেছিল কানা দস্যুকে? নাকি তাদের করুণ মৃত্যু বরণ করতে হয়েছিল ভয়ংকর কানা দস্যুর হাতে?
স্বপ্নস্বর্গ। অজানা জগতের অজানা এক স্বর্গ। সেখানে কৃষ্ণচূড়ার ছায়ার বসে আছে নীরব। পাশে শবনম। অপূর্ব সুন্দর শবনম, ভালোবাসার শবনম, ভালোলাগার শবনম। শবনমকে ছাড়া জীবনকে ভাবতে পারে না নীরব। কেনই বা পারবে? শবনমই তাকে সুস্থ করে তুলেছে, তাকে নতুন জীবন দিয়েছে, বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখিয়েছে। তাইতো তার চিন্তা-চেতনা, আবেগ ভালোবাসায় শুধুই শবনম। কিন্তু একি! আজ পৃথিবীর শবনম আর স্বপ্নস্বর্গের শবনমের মধ্যে এত পার্থক্য কেন? মনে হচ্ছে অনেক অনেক কষ্ট শবনমের মনে? কি হয়েছে তার? প্রশ্ন করে জানতে চাইলে শবনম জানায়, স্বপ্নস্বর্গে আসতে তার বড়ো কষ্ট হয়, কারণ সে জীবিত। শুনে নীরব আশ^স্ত হয়, এরকমই তো চায় সে। শবনম বারবার স্বপ্নস্বর্গে আসুক। কিন্তু কীভাবে আসবে? আসতে হলে তাকে মৃত্যুবরণ করতে হবে। কিন্তু শবনম আত্মহত্যা করতে চায় না। তাহলে উপায়? একমাত্র উপায় তাকে হত্যা করা।
এদিকে স্বপ্নস্বর্গের সন্ধানে উঠেপড়ে লেগেছেন ডাক্তার তরফদার। কিন্তু স্বপ্নস্বর্গের সন্ধান তিনি পেলেন না। যা পেলেন, তা খুব ভয়ংকর। নীরবের বিরুদ্ধে তার আগের প্রেমিকা ফারিয়াকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। এখন নতুন পরিকল্পনা করছে নীরব। নিষ্ঠুর আর নির্মমভাবে হত্যা করবে শবনমকে। বারবার শবনমকে সতর্ক করে দিলেন ডাক্তার তরফদার। কিন্তু শবনম বিশ^াস করল না ডাক্তার তরফদারের সতর্কবাণী, কারণ ততক্ষণে নীরবকে নিয়ে সে তার স্বপ্নের জাল বুনে ফেলেছে, নীরবই তার জীবনের সুখ, শান্তি আর ভালোবাসা। এই নীরবকে সে কীভাবে অবিশ^াস করবে?
নীরব কি সত্যি শবনমকে স্বপ্নস্বর্গে নিয়ে যেতে পেরেছিল? নাকি করুন পরিণতি বরণ করতে হয়েছিল মমতা আর ভালোবাসার ভরা সবার প্রিয় শবনমকে?
মেয়েটির নাম জিনিয়া। দেখতে অপূর্ব সুন্দর। সাদা শাড়ীতে আরও সুন্দর লাগে দেখতে। যে কেউ প্রথম দর্শনেই পছন্দ করবে জিনিয়াকে। পাভেলও মুগ্ধ ছিল জিনিয়ার সৌন্দর্যে। তবে...
রেবা আয়নায় নিজেকে দেখতে চেষ্টা করছে। হারিকেনের আলোতে নিজেকে সে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে না। তবে বুঝতে পারছে সারাদিনের ক্লান্তির ছাপটা মুখে এসেও পড়েছে। ঘুম তার...
ধর ধর, মার মার, ছিনতাইকারী, ছিনতাইকারী, চিৎকার শুনে রিবিট মুখ তুলে তাকাল। দেখল অল্পবয়সী এক মহিলাকে অনেকে মিলে ধাওয়া করছে। মহিলা তার জীবন বাঁচাতে প্রাণপণ...
শিশু-কিশোরদের সাথে সময় কাটাতেই রিবিট বেশি পছন্দ করে। তাই তো একদিন সে আসে কমলাপুর রেলস্টেশনে অসহায়, হতদরিদ্র, খেটে খাওয়া শিশু-কিশোরদের মাঝে। সবাই রিবিটকে তাদের মাঝে...
বছর পাঁচেক আগের কথা। দুবাই থেকে দেশে ফিরছি। আমার টিকিট ছিল ইকোনোমিক ক্লাসের। কিন্তু ইকোনোমিক ক্লাসে প্যাসেঞ্জারের সংখ্যা অধিক থাকায় এমিরেটস্ এয়ারলাইনস্ কর্তৃপক্ষ আমাকে বিজনেস...
মাঝরাত। জোছনা হাঁটছে লাল ইটের একটা রাস্তা দিয়ে। হঠাৎ সে অনুভব করে কেউ তাকে অনুসরণ করছে। পেছনে তাকিয়ে দেখে একটি ছায়া। ভয়ে দৌড় দেয় সে। প্রবেশ করে নির্জন এক জমিদারবাড়িতে। কিন্তু ছায়া তার পিছু ছাড়ে না। একেবারে এসে থামে তার সামনে। জোছনা চিনতে পারে না ছায়ার পুরুষটিকে, মুখের ওখানে জমাটবাঁধা অন্ধকার। শুধু খাড়া দুটো কান দেখা যায়। ভয়ে জমে যাওয়ার মতো অবস্থা হয় জোছনার। এই বুঝি ছায়াটা তার কোনো ক্ষতি করে। কিন্তু না! কী যেন বলতে চায় ছায়া। বলতে চেষ্টা করেও পারে না। তারপর হঠাৎই ধীরে ধীরে বিকৃ ত হয়ে যেতে থাকে ছায়ার চেহারা। ভয়ে আতঙ্কে চিৎকার করে ওঠে জোছনা। জোছনার স্বামী বাদল তখন ডেকে তোলে জোছনাকে, বলে পুরো বিষয়টা ছিল স্বপ্ন। কিন্তু এই একই স্বপ্ন বারবার দেখতে থাকে জোছনা। এক সময় বাদল বুঝতে পারে জোছনার এই স্বপ্নের বিশেষ কোনো অর্থ আছে। তাই আসে ডাক্তার তরফদারের কাছে। জোছনার সাথে কথা বলে ডাক্তার তরফদার বুঝতে পারেন জোছনার স্বপ্নের যৌক্তিকতা আছে, আছে সত্যতা। তাছাড়া জোছনার মন বন্দি অজানা এক জমিদারবাড়ির গোপন কক্ষে যেখানে অনেক ধনসম্পদ রয়েছে। জোছনা চেষ্টা করেও বের হতে পারছে না ঐ গোপন কক্ষ থেকে। যদি তাকে উদ্ধার করা সম্ভব না হয় নিশ্চিত মৃত্যু হবে তার।
শেষ পর্যন্ত কি ডাক্তার তরফদার খুঁজে পেয়েছিলেন গোপন ঐ কক্ষটা? উদ্ধার করতে পেরেছিলেন জোছনাকে? আর ঐ ছায়াটাই বা কে ছিল? কেন অনুসরণ করত জোছনাকে? কী উদ্দেশ্য ছিল জোছনার ঐ ছায়ার?
Dolor sit amet, consectetur adipiscing elit, sed do eiusmod tempor incididunt ut labore et dolore magna aliqua. Ut enim ad minim veniam, quis nostrudLorem ipsum dolor sit Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipisicing elit, sed do eiusmod tempor incididunt ut labore et dolore magna aliqua. Ut enim ad minim veniam, quis nostrud exercitation ullamco laboris nisi ut aliquip ex ea commodo consequat. Duis aute irure dolor in reprehenderit in voluptate velit esse cillum dolore eu fugiat nulla pariatur. Excepteur sint occaecat cupidatat non proident, sunt in culpa qui officia deserunt mollit anim id est laborum. Sed ut perspiciatis unde omnis iste natus error sit voluptatem accusantium doloremque laudolued.